Home / top / উপজাতি সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন পাহাড়ে বুদ্ধমূর্তি স্থাপন করে পাহাড় দখল এবং নিরাপদ অস্ত্রাগারে পরিণত করছে।

উপজাতি সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন পাহাড়ে বুদ্ধমূর্তি স্থাপন করে পাহাড় দখল এবং নিরাপদ অস্ত্রাগারে পরিণত করছে।

মোমিনুল হক

ধর্মের দোহায় দিয়ে উপজাতি সন্ত্রাসীরা পাহাড় দখলের যে রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে তাতে পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্টের পাশাপাশি একদিকে পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে অন্যদিকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে উপজাতি সন্ত্রাসীরা বৌদ্ধমন্দিরকে অস্ত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে।
প্রশাসনের রোষানল থেকে রক্ষা পেতে ধর্মীয় ইমেজকে কাজে লাগিয়ে উপজাতি সন্ত্রাসিরা পাহাড়ের বৌদ্ধ মন্দিরগুলোকে অস্ত্রাগারে পরিণত করেছে। সাজেকে যখন মসজিদ নির্মাণ হয়েছিল তখন তারা মসজিদের বিরোধিতা করেছিল পরিবেশে ধ্বংস হওয়ার অহেতুক যুক্তি দিয়ে! অথচ আজ তারা বিভিন্ন জায়গাতে পাহাড় দখল করে বৌদ্ধ মন্দির স্থাপন করে। আর সেগুলোকে অস্ত্রাগারে পরিণত করার পিছনে যে সরাসরি নেতৃত্বে দিচ্ছে তিনি হলেন কথিত জুম্মল্যান্ডের স্বঘোষিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবিদার ভিক্ষু কারুনা লঙ্কার।
ভারতের নয়াদিল্লিতে থেকে দেশবিরোধী কাজ করেও সন্ত্রাসীদের দোসর ভিক্ষু করুনা লঙ্কর বাংলাদেশে কিভাবে প্রবেশ করে তা আমার বোধগম্য নয়। রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডের কারণে ভিক্ষু করুনা লঙ্করকে বাংলাদেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে দেশে মামলাও হয়েছে।
সুশীল নামের কিছু জ্ঞান পাপি আছে যারা সাজেকের মাসজিদ নিয়ে পাহাড় দখল হওয়ার বিভিন্ন মুখ রঞ্জন কথা বলে উপজাতি সন্ত্রাসীদের রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে উসকে দিয়েছে। সুশীল নামের সেই সমস্ত প্রতারকদের বলতে চাই ধর্মের নামে বিভিন্ন পাহাড়ে মূর্তী স্থাপন করে উপজাতি সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের যে কারখানা গড়ে তুলতেছে তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন না কেন????
দেশের অখণ্ডত্বতার স্বার্থে পাহাড়ের খাস জমিতে প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিত বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। বৌদ্ধমন্দিরকে যেহেতু উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীরা অস্ত্র প্রশিক্ষনের নিরাপদ জায়গা হিসেবে গ্রহণ করেছে তাই নিরাপত্তার স্বার্থে সন্দেহজনক মন্দিরগুলোকে মাসে অন্ততঃপক্ষে একবার যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা জরুরী।

দলমত নির্বিশেষে সকল উপজাতি বাঙ্গালী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই। তারা ধর্মীও প্রতিষ্ঠানকে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যবহার করতে পারেনা। মসজিদ যখন সন্ত্রাসী তৎপরতায় ব্যবহার হতে পারেনা তেমনিই বৌদ্ধ বিহারও ব্যবহার হতে পারে না। প্রতিটি ধর্মের প্রতি সম্মান এবং ধর্মীও প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্বা রেখে ধর্ম ব্যবসায়ীও যারা ধর্মীও প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড়ে ভূমি দখল করে, ‘তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করতে হবে।’ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিপ্রিয় উপজাতিরা স্বাধীন ভাবে বৌদ্ধ বিহার গুলোতে ধর্ম পালন করছে। কিন্তু কিছু বৌদ্ধ বিহারের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালনা করে। পাহাড়ে সরকারী খাস, ভূমি দখল করার জন্য ধর্মীও প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হয়! যা খুবই দুঃখজনক। এর থেকে পরিত্রান পেতে ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। যাতে কেউ ধর্মকে ব্যবহার করতে না পারে।

মতামত

x