Home / সামরিক বাহিনী / কি করে সাহস হয় বান্দরবান রাজভিলার তাইনপাড়াতে সেনাদের জিপের উইন শেড ভেঙ্গে ফেলার?

কি করে সাহস হয় বান্দরবান রাজভিলার তাইনপাড়াতে সেনাদের জিপের উইন শেড ভেঙ্গে ফেলার?

আহম্মদ শেহজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম

ভাবতেই অবাক লাগে রাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর জিপ গাড়ির উপর হামলা করা সন্ত্রাসীরা কিভাবে এদেশের বুদ্ধিজীবিদের চোখে সহজসরল হয়! কোনভাবেই এটা আমার বোধগম্য নয়। এরা কেমন বুদ্ধিজীবি? প্রকৃত পক্ষে কি এরা বুদ্ধিজীবি নাকি বৃদ্ধি বৃত্তি করা জ্ঞানপাপী? সেনাবাহিনী উপর ও গাড়ির উপর যখন হামলা হয় তখন কি তারা চোখে কাঠের চশমা পড়ে থাকে?

চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি করে সমগ্র পার্বত্য জুড়ে। মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে সেনা অভিযান পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানের ১ নং রাজভিলার তাইনপাড়া সঃ প্রঃ বিঃ সেনারা সাময়িক অবস্থান নেয়। বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি জেএসএস!! সেনা অভিযান ঠেকাতে পরিকল্পনা মাফিক জেএসএস সন্তু গ্রুপ গতকাল ১৮ জানুয়ারী সোমবার দুপুর ১টায় সেনা সদস্য কর্তৃক উপজাতীয় নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে মিথ্যা বানোয়াট প্রোপাগান্ডা রটিয়ে দেয়। এ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা রটিয়ে দিয়ে সেনা অভিযান বন্ধ করা সহ স্বার্থ হাসিল করতে উপজাতীয় নারী সহ তাদের মদদপুষ্ট লোকেরাই মিলে অদ্য ১৯ জানুয়ারী (মঙ্গলবার) সকালে অতর্কিত ভাবে সেনাদের অস্থায়ী আবাসন তাইনপাড়া সঃ প্রঃ বিদ্যালয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে! হামলা চালানোর খবর শুনে ঘটনার স্থলে সেনা ক্যাম্প হতে সেনাসদস্যরা তাইনপাড়া যেতে চাইলে পথিমধ্যে জেএসএস সন্ত্রাসীরা সেনাদের পিকাপে হামলা করে এবং জিপ গাড়ির উইন শেড ভেঙ্গে দেয়। সেনাদের উপর লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। সেনারা ধৈর্য সহকারে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে। সেনাদের এ ধৈর্য ও নিশ্চুপ থাকার মূল কারন : সন্ত্রাসী গোষ্ঠী উস্কানি দিয়ে অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়ে তথাকথিত মিডিয়ায় মাধ্যমে সেনা বিরোধী অপপ্রচার করে অভিযান বন্ধ করা সহ স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করবে৷ তাই সেনারা জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।

যেসকল সন্ত্রাসীরা সেনা পিকাপে বাধা ও জিপ গাড়ির উইন শেড ভেঙ্গে দিয়েছে তাদের পরিষ্কার ভাষায় বলে দিতে চাই সাহস দেখানো ভালো কিন্তু অতিরিক্ত সাহস দেখানো মোটেও ভালো নয়। আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী কিন্তু দেশের গণ্ডি অতিক্রম করে শান্তি রক্ষা মিশনে গিয়ে সন্ত্রাস দমন সহ শান্তি স্থাপন করেছে। বহু শক্তিশালী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর শিকড় উপড়ে ফেলেছে। আমাদের সেনাবাহিনীর গায়ে যদি হাত উঠে দেশের জনগণ বসে থাকবে না আর সেনাবাহিনীও চুড়ি পরে বসে থাকবে না। সুতরাং সাধু সাবধান।

মতামত

x