||হান্নান সরকার, রাঙ্গামাটি||

অদ্য (বুধবার) ৩১ শে মার্চ রাত দুইটায় নিজ সহযোদ্ধা সুজন চাকমা কর্তৃক বিশ্বমিত্র চাকমা ওরফে যুদ্ধো চাকমা নিহত হয়।

নিহত যুদ্ধো চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জেএসএস সংস্কার এম.এন গোষ্ঠীর বাঘাইছড়ি উপজেলা বাবুপাড়ার শাখার সশস্ত্র কমান্ডার। দীর্ঘদিন এ এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় টহল দিতো দলবল নিয়ে।

যুদ্ধো চাকমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই অনেক দিন ধরে অপেক্ষার পহর গুনে ছিলেন সশস্ত্র গুপ্তচর ঘাতক সহযোদ্ধা সুজন চাকমা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটায় যুদ্ধো চাকমাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় সুজন চাকমা। জেএসএস সংস্কার এম.এন দলীয় সূত্র জানিয়েছে, একটি একে-৪৭ ও একটি এম ফোর অস্ত্রনিয়ে সুজন চাকমা জেএসএস মূল দলে যোগদানের উদ্দেশ্যে যুদ্ধোকে হত্যা করে পালিয়ে যায় গোলাবারুদ সহ।

জানা যায়, চার বছর পূর্বে যুদ্ধো চাকমাও জেএসএস সন্তুর সশস্ত্র গ্রুপ হতে অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে এসে জেএসএস সংস্কার এম.এন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগ দেয়। আর আজকে তাকে হত্যা করে তার ঘাতক সহযোদ্ধা অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। কি নির্মম পরিহাস। এই থেকে পার্বত্য সন্ত্রাসীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। ভবিষ্যতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা উচিত। পাপ বাপকেও ছাড়ে না বাংলায় একটি প্রবাদও আছে।

যুদ্ধো চাকমা নিঃসন্দেহে একজন পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী। যার সত্যতা সে রেখে যাওয়া প্রমাণাদি গুলোই। পৃথিবীর বুকে রেখে যাওয়া তার সামরিক পোষাকের ছবিই অন্যতম প্রমাণ। একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে থাকা রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। তার সংগঠন হতে দলীলভাবে যে, তথ্য দেওয়া হয়েছে সে তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধো চাকমা একজন সন্ত্রাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তার ছবি, অস্ত্রের ছবি ও তার বিগত বছর গুলোর কর্মকান্ড, ইতিহাস কিন্তু বলে সে একজন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী। তার সমস্ত তথ্য প্রমাণ গুলো একত্রিত করলে প্রাথমিকভাবে অনুমেয় যে, যুদ্ধো চাকমা একজন দেশদ্রোহী সন্ত্রাসী এতে কোন সন্দেহ নেই। যুদ্ধো চাকমা সহ পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয়দের তথাকথিত অধিকার আদায়ের সংগঠন গুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী। উপজাতি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত। তাই তারা সন্ত্রাসী। এরা সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রাম ঘাস করে রেখেছে অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজি, খুন-গুম ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে। আধিপত্য বিস্তার ও ভাগবাটোয়ারা কেন্দ্র করে হানাহানিতে লিপ্ত হয় তারা। যার বলি হয় সাধারণ উপজাতি বাঙ্গালি উভয়ই জনগোষ্ঠী।
ইউপিডিএফ, জেএসএস, জেএসএস সন্তু, এই তিনটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র লিপ্ত হওয়া সংঘর্ষ গুলো এ পর্যন্ত হাজারো নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। যারা পাহাড়ে স্বজন হারা হারিয়ে শুধুই তারাই জানে স্বজন হারানোর বেদনা কাকে বলে। এ সন্ত্রাসীদের প্রতি বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখানো সুযোগ নেই।

১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির শর্ত অনুযায়ী অবৈধ অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার কথা থাকলেও জেএসএস সন্তু এখনো পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় বিদ্যমান। অস্ত্রসহ সামরিক পোষাকে সন্ত্রাসীদের পাহাড়ে দেখা যায়, তবুও উপজাতীয়দের সন্ত্রাসী বললে আইনের মার প্যাঁচে পড়তে হয়। বাঘাইছড়ি উপজেলাকে জেএসএস সন্তু ভীতিকর পরিস্থিতি দিকে ঢেলে দিয়েছে। জেএসএস সন্তু আর ইউপিডিএফ মিলে সাধারণ মানুষের হত্যার মিশনে নেমেছে। এর ফলে সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি বিরাজ করছে।

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রধারী বিরাজমান থাকার কিছু প্রমাণ তুলে ধরছি…

১. বাঘাইছড়ি উপজেলার জেএসএস সন্তুর গ্রুপের সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বড় ঋষি চাকমা। বড় ঋষির অবৈধ অস্ত্রসহ ছবি এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র সহ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

২. বাঘাইছড়ি উপজেলার জেএসএস সংস্কার এম এন. সশস্ত্র সন্ত্রাসী মনিয়ম চাকমা। মনিয়মের অস্ত্রসহ সামরিক পোষাকের ছবি এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রমাণ হিসেবে রয়েছে। তার নামেও থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

৩. জেএসএস সন্তু গ্রুপের জুরাইছড়ি শাখার সামরিক শাখার কমান্ডার নিক্সন চাকম। নিক্সনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনো প্রমাণ হিসেবে রয়েছে।

এই তিন জন সন্ত্রাসীর ছবি সবসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঘাটলে দেখা যায়। কিভাবে একটি স্বাধীন দেশে অস্ত্র নিয়ে ছবি তুলে তা আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে। কি করে তাদের এতো সাহস হয় তা আমার বোধগম্য নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের অপরাধের শেষ নেই, একজন সরকারি কর্মকর্তার শেয়ার করা কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা পার্বত্য পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানান…
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বিগত কয়েকবছরে জেএসএস ও ইউপিডিএফ নেতাকর্মীদের অপরাধের কারণে বেশি আটক করে। যদিও এরমধ্যে ইউপিডিএফের আটককৃত নেতাকর্মীর সংখ্যা বেশি। অস্ত্রসহ আটককৃত অনেক সন্ত্রাসীদের ভাস্য অনুযায়ী তারা জাতির অধিকারের দোহাই দিয়ে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও খুন-গুম করে। জাতির অধিকার আদায় করা এটা তাদের একটা সাইনবোর্ড মাত্র। পার্বত্য চট্টগ্রামে থেকে তারা বাৎসরিক ৭০০ কোটি টাকা সমপরিমাণ চাঁদাবাজি করে। এ টাকা হতে অস্ত্র ক্রয়, তাদের বেতন-বাতা, মিডিয়া প্রচার ও ভাড়াটে বুদ্ধিজীবি পালন সহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে দেওয়া লাগে৷ চাঁদাবাজির ৬০% সমস্ত কাজে খরচ করা হয়। বাকী টাকা তাদের সংগঠনের শীর্ষ কয়েকজন নেতা ভাগবাটোয়ারা করে নেন বলে জানান। আরো জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম-কে রাষ্ট্রের মূল ভূখন্ড হতে বিচ্ছিন্ন করে আলাদা ভাবে রাষ্ট্র গঠন করার চিন্তা চেতনা তাদের রয়েছে। সে লক্ষ্যে তারা সবাই একাট্টা৷ তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম-কে দেশের মূল ভূখন্ড হতে ভাগ করে এ অঞ্চল নিয়ে জুম্মল্যান্ড নামক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করবে। তার জন্য তারা নানান ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে দেশী-বিদেশী এনজিও, দাতাসংস্থা ও মিশনারীদের সহযোগিতা নিচ্ছেন। তাদের হাজার হাজার সশস্ত্র সদস্য তৎপর রয়েছে এ কাজেই। গরীব অসহায় পরিবারের উপজাতি ছেলে-মেয়েদের তাদের দলে নিচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আরো জানান, উপজাতি-বাঙ্গালি অবাধে জেএসএস মেলামেশা করতে দিচ্ছে না। তাদের যুক্তি উপজাতি বাঙ্গালি মেলামেশার ফলে উপজাতি মেয়েদের বাঙ্গালিরা মুসলিম করে ফেলবে এবং উপজাতিরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ হারাবে!
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালি ও নিরাপত্তা বাহিনীকে বিতর্কিত করা তাদের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে ফায়দা লুটিয়ে নেওয়া যায়। ধর্ষণ বিষয়ে ইস্যু সৃষ্টি করে বেশি ফায়দা লুটিয়ে নেওয়া যায়। তিনি বলেন, উপজাতি সন্ত্রাসীরা যা করছে তা পার্বত্য চুক্তি লঙ্ঘনের সামিল এবং দেশদ্রোহীতার সামিলও বটে। একটি স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশে এভাবে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে সক্রিয় থাকা রাষ্ট্রের জন্য মঙ্গলজনক নয়।

বিগত বছর গুলো পার্বত্য উপজাতি সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের লোক, রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিধি এবং সাধারণ মানুষ। এরমধ্যেই উল্লেখ যোগ্য কিছু হত্যাকান্ডের প্রমাণ…

১.রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর সেনা ক্যাপ্টেন গাজী হত্যা।

২. নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা এ বর্মা সহ ৬ হত্যাযজ্ঞ।

৩. বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্রাশ ফায়ার করে নির্বাচনী কাজে অংশ নেওয়া সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যা।

৪. রাজস্থলীতে সেনা সদস্য মোঃ নাছিমকে হত্যা।

৫. মানিকছড়ি সেনা মেজরকে গুলিবিদ্ধ করা।

৬. জুরাইছড়ি বনযুগীছড়া ইউপি’র ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হেমন্ত চাকমাকে হত্যা।

৭. মাটিরাঙ্গা পল্লী চিকিৎসককে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা।

৮. বান্দরবান রোয়াংছড়ি বাঘমারা ৬ জনকে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা।

৯. জুরাইছড়ি আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দু চাকমাকে হত্যা।

১০. এ মাসেই বাঘাইছড়ি পিআইও অফিসে মেম্বার সমর বিজয় চাকমাকে হত্যা।

এরকম আরো অহরহ হত্যাকান্ড সংঘটিত করা সন্ত্রাসীরা এখনো পাহাড়ে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে গেছে। প্রশাসনের নতজানু পার্বত্য নীতি মূলত এরজন্য দায়ী।

পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সংগঠন গুলো যে অস্ত্রধারী তা উল্লেখিত বিষয় গুলো থেকে স্পষ্ট। এতো প্রমাণাদি থাকার স্বত্বেও পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের এদেশের তথাকথিত সুশীল, বুদ্ধিজীবি ও একটি মহল সর্বদা তাদের শান্তিপ্রিয় এবং অধিকারকামী হিসেবে সাব্যস্ত করতে ব্যস্ত। সত্যি এটা লজ্জাজনক এবং দুঃখজনক।

১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে সরকার উপজাতি জনগোষ্ঠীর জন্য যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে। একতরফাভাবে উপজাতি জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের দিকগুলো গুরুত্ব দিয়ে অসাংবিধানিক ভাবে পার্বত্য বাঙ্গালিদের মৌলিক অধিকার হতে বঞ্চিত করে। এদেশের উপজাতিরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বসবাস করে যে সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে, তা পৃথিবীর অন্য কোন দেশে বসবাসরত উপজাতিরা ভোগ করছে না। এতো কিছু দেওয়ার পরেও সন্ত্রাসবাদে জড়িয়ে পড়া পরিতাপের বিষয়।

দাবিদাওয়া মোতাবেক সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও চুক্তি লঙ্ঘন করে উপজাতি সন্ত্রাসীরা অবৈধ অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসবাদ করা এবং রাষ্ট্র দ্বিখণ্ডিত করার চিন্তা চেতনা সম্পূর্ণ রাষ্ট্র বিরোধী কার্যক্রম। এধরণের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র শক্তভাবে ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে এরা আস্কারা পেয়ে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত হচ্ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসবাদ এতোটা বেড়েছে যে, এ অঞ্চলে প্রশাসন- সাধারণ মানুষ কেউ নিরাপদ নয়। দিনে দুপুরে এখানে অবৈধ অস্ত্রধারী চাঁদাবাজরা মানুষ অপহণ ও হত্যা করে।
এ জনপদে মূহুর্তে মূহুর্তে গুলির শব্দ শুনা যায়। যেনো নিত্য দিনের রুটিন ওয়ার্ক গুলি করা! সন্ত্রাসের এ জনপদে ৪ টি উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রায় ২০ হাজার অবৈধ অস্ত্রধারী রয়েছে। তাদের থেকে যে সমস্ত অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে, তা এদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছেও নেই। প্রতিবেশী রাষ্ট্র গুলো হতে এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র প্রশিক্ষণ নেন৷ ভাবতে অবাক লাগে, এমনকি রাশিয়া, যুক্তরাস্ট্র, চীন ও ইসরায়েলের মতো পরাশক্তি দেশগুলোর আবিষ্কার করা ভয়ঙ্কর মারণাস্ত্র গুলো পর্যন্ত রয়েছে এদেশীয় উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীসমূহ থেকে। জেএসএস সন্তু, ইউপিডিএফ প্রসিত, জেএসএস সংস্কার এম.এন, ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক সহ সর্বমোট ৪টি গোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৮ হাজার বাঙ্গালিকে হত্যা করেছে। বাঙ্গালি গণহত্যারকারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এবং রাষ্ট্র বিরোধী এ অস্ত্রধারী গোষ্ঠীসমূহকে সন্ত্রাস প্রমাণ করতে আর কি প্রমাণ থাকা চায়? তাদের হাতে পাহাড়ের নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও উপজাতি বাঙ্গালি উভয়েই প্রতিনিয়ত হত্যা ও চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে। তাদের সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করতে এবং আইনের আওতায় আনতে সমস্যা কোথায়? শুধু সংগঠন গুলোর নেতাকর্মীদের নামে কেন মামলা হবে? মামলা করতে হবে সন্ত্রাসী সংগঠন গুলোর নামে এবং তাদের যারা সহযোগিতা করে তাদের নামেও।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আর কত হাজার বাঙ্গালির লাশ পড়লে রাষ্ট্র সন্ত্রাসী দমনে আন্তরিক হবে? এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই পার্বত্য চট্টগ্রাম-কে বাংলাদেশ মূল ভূখন্ড হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এতে রাষ্ট্র হারাবে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের ভূস্বর্গ্য ভূমি। হাজার হাজার পার্বত্য বাঙ্গালি হবে বাস্তুহারা। সরকারকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে পার্বত্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে।

By admin

মতামত

x