পাহাড়ে উপজাতি সন্ত্রাসীদের ধারাবাহিক চাঁদাবাজি গুম,খুন অপহরণের অংশ হিসেবে অদ্য ৪ এপ্রিল ২০২১ খ্রিঃ (রোজ রবিবার) খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের লাইফু ও পংবাড়ী এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ।
ইউপিডিএফের আজকের হামলার কারণও ছিল প্রতিবারের ন্যায় চাঁদা না দেয়া।
ইউপিডিএফের আজকের হামলায় আহত হয়েছে ১৫/২০ জন। মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে ৫ জন, তাদের সবাইকে খাগড়াছড়ি সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এবং প্রায় ৪০ টি পরিবার বাড়িঘর ছাড়া হয়েছে সন্ত্রাসীদের ভয়ে।

পাহাড়ে কি বাঙালিদের জীবনের কোন দাম নাই??
আর কত ঘটবে এরুপ নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা?
আর কত লিখবো উপজাতি সন্ত্রাসীদের অমানবিক নির্যাতনের কথা? যেখানে নেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মতো জীবনমান উন্নয়নের ব্যবস্থ। নেই মৌলিক অধিকার সেখানে যদি প্রতিনিয়ত বাঙালির উপর হামলা হয় সেটা মেনে নেওয়া যায় না। পার্বত্যবাসীর আর্তনাদ কি সরকারের কর্ণকুহরে পৌছায় না, নাকি পাহাড়ের মানুষের জীবন সরকারের কাছে মূল্যহীন?
উপজাতি সন্ত্রাসীদের হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে তথাকথিত অধিকার আদায়ের সংগঠনগুলোর কোন কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায় না।
আমরা পাহাড়বাসীরা সরকারের কাছে আবারো দাবী করছি আমাদের জান মালের নিরাপত্তার জন্য পাহাড়ে প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্পগুলো পূনঃস্থাপন করুন।

আমাদের এ দাবী যদি সরকার কর্ণপাত না করে তাহলে পাহাড়ের বাঙালিরা বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের চেতনাকে ধারণ করে পাহাড় থেকে রাজাকারের উত্তরসূরি উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
বাঙালি জাতি যদি একবার গর্জে উঠে তাহলে তাদেরকে ঠেকানোর কোন রাস্তা থাকবে না।

আমরা উপজাতি সন্ত্রাসীদের বলবো অনেক হয়েছে এবার বন্ধ করুন। আপনাদের গুম, খুন, অপহরণ এবং চাঁদাবাজি আর সহ্য করা হবে না।
অহেতুক জুম্মল্যান্ড নামক কাল্পনিক রাষ্ট্রের দিবা স্বপ্ন না দেখে বাংলাদেশকে ভালবাসুন।
অন্যথায় আপনাদের পরিণতি ভায়াবহ আঁকার ধারণ করবে। সেসব বেশি আর দূরে নয়।

||লেখক তাপস কুমার পাল, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক||

By admin

মতামত

x