Home / বান্দরবান / মানসিক প্রতিবন্ধী ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে সবাই নিশ্চুপ, কারণ ধর্ষক একজন উপজাতি!

মানসিক প্রতিবন্ধী ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে সবাই নিশ্চুপ, কারণ ধর্ষক একজন উপজাতি!

স্বজাতি কর্তৃক প্রতিবন্ধী মেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি চেপে রাখা হয়েছে, এক্ষেত্রে যদি ধর্ষক বাঙালী হতো তখন ঘটনাটি ভিন্ন হতো।

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্বজাতি কর্তৃক নারী ধর্ষিত হলে তার বিরুদ্ধে কোন প্রতিক্রিয়া থাকে না। কিন্তু বাঙালীদের কোনভাবেই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠলে তখন সবাই ওঠে পড়ে লাগে। বিগত বছর গুলোতে আমরা দেখেছি বাঙালীদের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণ অভিযোগ গুলো নিয়ে কীরকম বাঙালীকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক উপজাতি কতিপয় যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম চয়ইমং মারমা (২২)। গতকাল ২৭ শে এপ্রিল (মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। আটককৃত উপজাতি নোয়াপতং ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ড নাছালং পাড়া বাসিন্দা ক‍্যমং মারমারে ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। দীর্ঘ কয়েক মাস পরে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন হলে ওই কিশোরীর মা মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে ধর্ষকের নাম মাকে বলে দেন। ভিকটিমের মা বলেন, কখন ধর্ষণ করা হয়েছে তা জানিনা। তবে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে ঘটনা জানতে পেরেছি। এসব ঘটনা জানার পর রোয়াংছড়ি থানায় এসে এই নরপশুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।

রোয়াংছড়ি থানা তদন্ত (ওসি) মো: মনির ঘটনা সত‍্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমের মায়ের অভিযোগে রোয়াংছড়ি এলাকার অভিযান চালিয়ে চয়ইমং মারমাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। আজ বুধবার (২৮ এপ্রিল) বান্দরবান কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

অথচ ধর্ষণের এই বিষয়টি নিয়ে অধিকারের দোহাই দিয়ে আন্দোলন করা তথাকথিত আঞ্চলিক দলগুলো নীরব।

নারীবাদী, রাম-বাম ও তথাকথিত গণমাধ্যমগুলা পাহাড়ের বাঙালী কর্তৃক উপজাতি মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠলে বাঙালীর চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে ছাড়ে। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনাটি স্বজাতি কর্তৃক হওয়াই চেপে যাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের ভুমিকা ভিন্ন। শুধু বাঙালী হলে যত সমস্যা। গত বছরে খাগড়াছড়ি প্রতিবন্ধী নারীকে বাঙালী কর্তৃক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। তখন ঘটনাটি নিয়ে তৎকালীন বাঙালীকে ইচ্ছে মত ধুয়ে দেওয়া হয়। সমগ্র বাঙালী জাতিতে ধর্ষক তকমাও দেওয়া হয়েছিল।

মতামত

x