পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক শসস্ত্র সংগঠনগুলো তাদের স্বপ্নের জুম্মল্যান্ড বাস্তবায়নে বহুবিধ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পাহাড়ের শাসনভার নিয়ন্ত্রণ করতে শক্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
উপজাতি সমাজের নানাবিধ সমস্যা নিয়ে প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধিদের নিকট যাতে কেউ দারস্ত না হয় সেজন্য কঠিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনগুলো।

যার ফলশ্রুতিতে সাধারণ উপজাতিরা একদিকে আইনের শাসন, এবং সামাজিক ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের চলমান আইনকে তোয়াক্কা না করে নিজস্ব আইন প্রণয়ন করে উপজাতি সংগঠনগুলো রাষ্ট্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে।

রাষ্ট্র উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর প্রতি যত নমনীয়তা দেখাচ্ছে তারা রাষ্ট্রদ্রোহী কার্মকাণ্ড ততই বৃদ্ধি করছে। যা রাষ্ট্রের জন্য একপ্রকার দৈন্যতা এবং লজ্জার বিষয়।
নারী নির্যাতনের মত ভায়াবহ অপরাধের সম্মুখীন হয়েও একজন উপজাতি প্রশাসনের দারস্ত হতে পারেনা।
বিচার দিতে হয় সশস্ত্র সংগঠনগুলোর নিকট। আর বিচারের কমন রায় হচ্ছে একটি শুকর দিয়ে মিমাংসা করে দেওয়া!
পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের অবৈধ শাসনের বিরুদ্ধে সকলের বিশেষ করে উপজাতিদের সোচ্চার হতে হবে। সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
পার্বত্য অঞ্চলে রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসীদের এনেহ অবৈধ শাসনভার চলমান থাকলে কঠিন হুমকির সম্মুখীন হবে সরকার।
তাই কর্তৃপক্ষের নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অতি দ্রুত পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের অবৈধ শাসনভার সহ যাবতীয় রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিন।

লেখক: তাপস কুমার পাল

By admin

মতামত

x