Home / ব্লগার / ইউপিডিএফ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ উপজাতিদের ঘর-বাড়িতে আগুন দেওয়ার অপসংস্কৃতি বেছে নিয়েছে।

ইউপিডিএফ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সাধারণ উপজাতিদের ঘর-বাড়িতে আগুন দেওয়ার অপসংস্কৃতি বেছে নিয়েছে।

জিহান মোবারক, খাগড়াছড়ি

ইউপিডিএফ প্রসিত বিকাশ খিসার সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে পর্যটন শিল্প বিকাশ, উন্নত চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘটে তোলা ও জীবনমান উন্নয়নের সড়ক নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করার অংশ হিসেবে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া মিথ্যা বানোয়াট প্রোপাগাণ্ডা রটিয়ে দিচ্ছে৷ অদ্য ৩০ জুন, সকাল ৯ টার দিকে Arjita Changma নামের একটি পরিচয় বিহীন ফেসবুক আইডির দিকে এমন ঘৃণিত মিথ্যাচার রটিয়ে দেয়!!

এমন ঘৃণিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ২৯ জুন ও ৩০ জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দে খাগড়াছড়ি গুইমারা সিন্দুকছড়িতে সেনাবাহিনী কর্তৃক কোনপ্রকার ঘর বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। অথচ ইউপিডিএফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা গুজব রটিয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। ইউপিডিএফ রাস্ট্র ও সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ করে পার্বত্যবাসীর আস্তা অর্জন করতে পারবে না। বরং একের পর এক সাধারণ মানুষদের ঘর-বাড়িতে ইউপিডিএফ নিজেই আগুন দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব বিলীনের দিকে ধাবিত করছে। এবং জনবিচ্ছিন্ন হয়ে উপজাতিদের ঘর বাড়িতে আগুন দিচ্ছে৷ এমন অপসংস্কৃতি পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘাত বৃদ্ধি করবে।

মহালছড়ি হতে জালিয়াপাড়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২৪ কিলোমিটার নান্দনিক সড়ক নির্মাণ করে। এই সড়ককে ঘিরে ওই অঞ্চলে পর্যটন শিল্প বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যদি এখানে পর্যটন শিল্প বিকাশ হয়, এবং জনসমাগম ও প্রশাসনের উপস্থিতি ঘটে তাহলে অচিরেই ইউপিডিএফ চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি করতে পারবে না। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইউপিডিএফ সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে নানান রকম ফন্দি এঁটেছেন।

মতামত

x