ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ৫জনের মধ্যে ৩জন কিশোরী মেয়েকে দেখা যাচ্ছে তারা ভীতসন্ত্রস্ত অসহায়। তাদের মুখের মলিনতা ও চেহারার মধ্যে স্পষ্ট চাপ লক্ষনীয়। এই থেকে বলে দেওয়া যায় যে, তাদের পার্বত্য চুক্তি বিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ জোরপূর্বক ধরে এনে ব্যানার ধরিয়ে দিয়েছে। কিশোরী মেয়েদের পিতা-মাতার সম্মতিছাড়া জোরপূর্বক বিক্ষোভ সমাবেশে করানো কতটুকু যৌক্তিসঙ্গত?

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজি, অপহরণ খুন-গুম, নারী ধর্ষণ ও অরাজকতা এবং মানুষকে ভয় ভীতি প্রদর্শন সহ রাষ্ট্র বিরোধী নানান তৎপরতার কারণে ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠেছে৷ ইউপিডিএফকে এখন সাধারণ উপজাতিরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতে উৎসুক নয়। ইউপিডিএফ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে, এবং নারী ধর্ষণের হুমকি দিয়ে সাধারণ মানুষদের বাড়িঘরে দিনের পর দিন থাকে। ইউপিডিএফ যেসব বাড়িঘরে আশ্রয়ে থাকেন, সেসব বাড়িঘরের খাবারের ম্যানু হিসেবে দৈনিক দেশী মোরগ, ডিম, ভর্তা ও সুস্বাদু খাওয়ার রাখা বাধ্যতামূলক। অধিকাংশ হতদরিদ্র মানুষ উপার্জনের অভাবে ঠিকমত যেখানে দু’বেলা দুমুঠো ভাতও খেতে পারে না, সেখানে ইউপিডিএফ অমানুষিক আচরণ করে দেশী মোরগ, ডিম, ভর্তা ও সুস্বাদু খাওয়ার ম্যানু করতে বাধ্য করে! এই হচ্ছে ইউপিডিএফ-এর প্রকৃত চরিত্র। এসমস্ত জোরজুলুম করার কারণে আজ সাধারণ পার্বত্যবাসী ইউপিডিএফকে মনে প্রানে ঘৃণা করতে শুরু করেছে৷ ইউপিডিএফ-এর কর্মসূচীগুলোতে মানুষের অংশ গ্রহণ নেই৷ মাত্র ৫জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে কর্মসূচী করতেছে। কর্মসূচীর সময় আসলে তারা অস্ত্রের হুমকি ও অতিরিক্ত চাঁদার হুমকি দিয়ে খেটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে আসে। কতটা রাজনৈতিক বিমূঢ় দল হলে মানুষের অংশ গ্রহণ থাকে না কর্মসূচীতে। এই থেকে স্পষ্ট যে, ইউপিডিএফ রাজনৈতিক বিমূঢ় দল।

মুখে ফেনা তুলে তারা জাতির অধিকার নিয়ে কাজ করে বলে দাবি করে, অথচ তারা যে ভাঁওতাবাজি করে তা সাধারণ মানুষ বুঝতে শুরু করেছে৷ ইউপিডিএফ সম্পর্কে মানুষের যে, নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়েছে সেই নেতিবাচক ধারণা কাটাতে মূলত ইউপিডিএফ-এর ভাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করার নানান কূটকৌশল অবলম্বন। আন্দোলনের নামে ইউপিডিএফ সাম্প্রতিক সময় যা করছে তা সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি, এবং লোক দেখানো।

By admin

মতামত

x