পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা নিজেদের’কে যে উচ্চতায় উপস্থাপন করেন, আসলে কি তারা সেই উচ্চতার? বাস্তবতা হল তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও আদি নিবাস অনুযায়ী তারা কেউই এই ভূখণ্ডের ভূমিপুত্র নয়। তারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী বাঙালিকে হেয় প্রতিপন্নভাবে নানান ধরনের মিথ্যাচার ও কটুক্তি মন্তব্য করে থাকেন, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তারা সবসময় নিজেদের অনেক উঁচু জাতি মনে করেন। প্রচার মাধ্যমে তাদেরকে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, বংশবিস্তার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা যায়। অথচ তারা যাযাবর জাতি৷ তাদের অতীত ইতিহাস খুবি জঘন্য। পৃথিবীর অন্য কোথায়ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় হয়নি৷ শুধুমাত্র বাংলাদেশ তথা বাঙ্গালীরাই তাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। আজকে তারা পাহাড় থেকে বাঙ্গালী হঠানোর যে, তাগিদ দিচ্ছে কিংবা দাবি তুলছে তা তাদের অজ্ঞতার পরিচয়, এবং দুঃসাহসও বটে। তাদের এমন ধৃষ্টতা কী করে হয়, যে তারা বাঙ্গালীর দেশে থেকে বাঙ্গালীকে তাড়ানোর দুঃসাহস দেখায়? তাদের এমন ধৃষ্টতা সত্যি দুঃখজনক৷

তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে ভূমি অধিকার, নিজেস্ব আইন প্রথা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের যে গোরব নিয়ে অহংকার করে। তা মোটেই কাম্য নয়। কারণ, তারা প্রকৃত ইতিহাস চুরি করে মিথ্যাকে ইতিহাসে স্থান দিতে ঘৃণিত চর্চা করে। আজকে তারা স্বায়ত্তশাসন দাবি করে, ভূমি অধিকার চায় ও রাজনৈতিক অধিকার চায়, এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারও চায়! প্রকৃতপক্ষে তারা কী তার যোগ্য? পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের বসবাস করার ইতিহাস খুবি নগণ্য। তাদের আদিনিবাস কোথায় তা আজকের দুনিয়ার কারোরই অজানা নয়। তারা যে, নিজেস্ব আইন ও বিচার ব্যবস্থার রীতিনীতি দেখায়, তা কী তাদের? তা কোনভাবেই তাদের নয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসন বিধি (হিলটেক্স ম্যানুয়েল ১৯০০) ব্রিটিশ কর্তৃক প্রণীত। আজকে তারা সত্যকে মিথ্যার রুপান্তরিত করে যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ ভাগ ও বাঙ্গালী হঠানোর ষড়যন্ত্র করছে। তার বিচার হওয়া উচিত৷ পৃথিবীর একমাত্র অকৃতজ্ঞ জাতি তারা।

উপজাতীয় উচ্চাভিলাষীদের প্রচারিত রাজনৈতিক ধ্যান ধারণা ও প্রচলিত তথ্য উপাত্ত বিভ্রান্তিকর। বিষয়টি পাঠকমহলের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরছি।
লেখক আতিকুল রহমান তার “পার্বত্য তথ্য কোষ” ১-এর বইয়ে দুঃখ বিচলিত হয়ে বিশদভাবে উল্লেখ করে বলেন- স্থানীয় প্রকৃত তথ্য তা থেকে ভিন্ন, যা বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী স্বার্থের অনুকূল। আমি স্থানীয় ইতিহাস ও তথ্য প্রচারে কোন রূপ প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পাইনি। অথচ এই ইতিহাসের প্রকৃত উপকার ভোগী আমি ব্যক্তি নই , বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী জাতি। আমার জীবনের সমূদয় সঞ্চয় ও উপার্জন এবং কর্মক্ষম সারাটি জীবন একাজে ব্যয় করেছি। এই শ্রমের আর্থিক মূল্য অবশ্যই বিরাট। আমার এই ত্যাগ ও দেশ প্রেম কর্তৃপক্ষীয় পর্যায়ে সাড়া জাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। আমি নিজেও তাতে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর এক অপগন্ডে পরিণত। বিপরীতে বিদ্রোহী নেতৃবৃন্দ মোটা অংকের বেতন ভাতা দামী গাড়ী বাড়ী আর উঁচু পদমর্যাদা ভোগ করছেন। শান্তি তবু সদূর পরাহত। অর্থকড়ি আর প্রকাশনার অভাবে পার্বত্য সংকট মূল্যায়ন মূলক আমার লেখা গুলো ব্যাপক প্রচারের সুযোগ পায় নি। সরকার এই মুফত মূল্যায়নটি নিজ স্বার্থে কাজে লাগাতেও সক্রিয় নন। সত্য হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম এদেশের কোন উপনিবেশ বা সংযোজিত অঞ্চল নয়। এবং বাঙ্গালীরাও এই অঞ্চলসহ গোটা বাংলাদেশের মূল স্থায়ী বাসিন্দা। বিপরীতে এতদাঞ্চলে উপজাতীয়রা বৃটিশ আমলের বহিরাগত অভিবাসী । বহিরাগমনের দ্বারা উপজাতীয়রা এখন স্থানীয় ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেলেও , রাজনৈতিক মর্যাদায় তারা অস্থানীয় সংখ্যালঘু । দেশের স্থায়ী বাসিন্দা বাঙ্গালীদের এতদাঞ্চলে বসবাসের অধিকার মৌলিক , এবং এটি বাংলাদেশের আদি ও অবিচ্ছেদ্য অংশও বটে । সংখ্যালঘু বহিরাগত অভিবাসী জনগোষ্ঠী ভূক্ত লোকদের এতদাঞ্চল থেকে বাঙ্গালী বিতাড়ন আন্দোলন আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভাগ দাবী , তথা স্বায়ত্ত শাসন ও আত্মনিয়ন্ত্রন মূলক রাজনৈতিক উচ্ছাভিলাষ , দেশ ও জাতি বিরোধী অপচেষ্টার শামিল । এদের দমিয়ে দেয়া জাতীয় কর্তব্য । এই রাষ্ট্রদ্রোহী ও জাতি বিধ্বংসী তৎপরতা মোটেও সহনীয় নয় । এটা মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার রূপেও মান্য নয় । বাংলাদেশে একক ভাবে বাঙ্গালীরাই মূলত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জাতি । এটা উদারতা যে স্থানীয় অবাঙ্গালী সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভূক্ত করে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ গৃহীত হয়েছে । কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে কোন বহিরাগত অবাঙ্গালীর জাতি ও রাষ্ট্র বিরোধী কার্যক্রম সহ্য করা হবে । এ দশে সমানাধিকার নিয়ে শাস্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পূর্ব শর্ত হলো তারা নিজেদের অভিবাসী সংখ্যালঘু মানবে , রাষ্ট্র ও বাঙ্গালী বিরোধী কোন অপতত্পরতায় জড়াবে না । কোন রূপ আধিপত্য , অগ্রাধিকার , রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা ও বাঙ্গালী বিদ্বেষকে প্রশ্রয় দিবে না । এর নিশ্চিয়তা হিসেবে পূবাহ্নেই ঘোষণা দিতে হবে যে সমৃদয় উচ্চাভিলাষী রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগঠন বিলুপ্ত হলো , অতীতের সমৃদয় হানাহানি সহিংসতা আর বিভেদ অপরাধমূলক বিদ্রোহাত্মক কার্যক্রম , তজ্জন্য দেশ ও জাতির কাছে তারা আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থী । সাধারণ উপজাতীয়রা দেশদ্রোহী , গণহত্যাকারী ও যুদ্ধপরাধের মত দুষ্কর্মের হোতাদের আইন সঙ্গত শাস্তি বিধানে সম্মত । উপজাতীয় পাড়া প্রধান কারবারী , হেড ম্যান , রাজা , ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও চেয়ারম্যার , পৌরসভা সদস্য ও চেয়াম্যান , উপজেলা ও জেলা পরিষদ সদস্য ও চেয়ারম্যান , স্কুল কলেজের কর্মকর্তা কর্মচারী ও শিক্ষক ইত্যাদি গণ্যমান্যদের একত্রিত হয়ে উপরোক্ত ঘোষণা পত্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাক্ষর দিতে হবে । তত্পর কেবল দেশ ও জাতি দ্রোহী অপরাধী বিপদজ্জনক ব্যক্তিদের সংশোধনাগারে আবদ্ধ করাই সংগত হবে । অভিযোগ থেকে সাধারণ নিরীহ লোকেরা রেহাই পাবে । নির্বিচারে সবার জন্য সাধারণ ক্ষমা প্রযোজ্য হবে না । বৈরী ঘোষিত চিহ্নিত অপরাধীরা বিচারে সপোর্দ হয়ে অবশ্যই শাস্তি ভোগ করবে । গণহত্যা , মানবাধিকার লঙ্ঘন , দেশদ্রোহ মূলক অপরাধ ক্ষমার যোগ্য নয় । a নির্বিচার উদারতা বাংলাদেশের পক্ষে ক্ষতিকর । অপরাধের বিচার ও শাস্তির উদাহরণ অবশ্যই স্থাপিত হতে হবে । পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজাতীয় স্বদেশ ভূমি নয় । ত্রিপুরাদের জাতীয় স্বদেশ ভূমি ত্রিপুরা রাজ্য , লুসাই বা মিজোদের জাতীয় স্বদেশ ভূমি মিজোরাম , মগ , মারমা , রাখাইন ইত্যাদির জাতীয় স্বদেশ ভূমি আরাকান ও মিয়ানমার , চাকমা তঞ্চগ্যা ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদেরও জাতীয় স্বদেশ ভূমি আরাকান সহ সীমান্তবর্তী বহিরাঞ্চল । এই অভিবাসী বিদেশী বংশধরদের এতদাঞ্চলে স্বশাসন , স্বায়ত্তশাসন বা আত্মনিয়ন্ত্রণ দাবীর কোন মৌলিক ভিত্তি নেই । স্বদেশ ভূমির একাংশ পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাঙ্গালীদের প্রত্যাহার দাবী করা , তদজ্জন্য তাদের উপর আক্রমন অত্যাচার ও দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোেহাত্মক প্রচেষ্টা চূড়ান্ত দূধর্ম । উপজাতীদের এ কাজ গুলো পুরস্কার যোগ্য নয় । অথচ তথাকথিত পার্বত্য শান্তি চুক্তি এমনই এক পুরস্কার ব্যবস্থা । দেশ জাতি ও বহিরবিশ্বের তৎপ্রতি সমর্থন দান প্রহসন বিশেষ । তবে সৌভাগ্যের কথা চুক্তিটি সরকার সমর্থিত হলেও তা আনুষ্ঠিক ভাবে অনুমোদিত নয় । এই চুক্তি গণহত্যা আর দেশ দ্রোহকে ক্ষমা যোগ্য করেনি । দোষ স্বীকার ক্ষমা প্রার্থণা আর আনুগত্যের অঙ্গীকার ছাড়া উপরোক্ত অপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা ভূক্ত করা যায় না । অপরাধীদের উচ্চপদ বেতন ভাতা , দামী গাড়ী বাড়ী ইত্যাদির মাধ্যমে পুরস্কৃত করা ও পালন পোষন কার্যতঃ অন্যায় ও নির্বুদ্ধিতা । এ পর্যন্ত তাতে কোন সুফল ফলেনি । পর্বতাঞ্চলেও শান্তি আসেনি । হালের ঘটনা হলো ক্রস ফায়ারে অসংখ্য দৃষ্কৃতিকারীর ভবলীলা সাঙ্গ হচ্ছে , জঙ্গীরা ফাঁসী কাষ্ঠে ঝুলছে , আর দূর্নীতিবাজ হুমরা চুমরা রাঘব বোয়ালরা শাস্তি পাচ্ছে ও জেল খাটছে । এমতাবস্থায় উপজাতীয় দেশদ্রোহী দৃষ্কৃতিকারীরা জামাই আদর পাচ্ছে , এটা ভুল কার্যক্রমের ক্ষমতাসীনদের জন্য এক দূর্ভাগ্য জনক উদাহরণ । পার্বত্য জনসংহতি সমিতির নেতারা অবশ্যই যুদ্ধাপরাধী দেশদ্রোহী ও গণহত্যার হোতা । পাহাড়ী বাঙ্গালী হাজার হাজার নিরীহ নিরপরাধ লোককে তারা হতাহত উচ্ছেদ ও নিঃসম্বল করেছে । বাংলাদেশের ৯৯ % অধিবাসী বাঙ্গালীরা এদেশের স্থায়ী ও আদি অধিবাসী । পার্বত্য উপজাতীয়রা স্থানীয় আদি ও স্থায়ী বাসিন্দা নয় , বহিরাগত । এই ইতিহাসের বিরুদ্ধে জনসংহতি সমিতির নেতারা বাঙ্গালীদের পার্বত্য অঞ্চল থেকে বহিস্কার দাবী করে , যা জঘন্য অপরাধ গণহত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন , দেশদ্রোহ , আর বাঙ্গালী বিতাড়ণ দাবী অমার্জনীয় ধৃষ্টতা । এটা বিনা বিচার ও শাস্তিতে পার পেতে পারে না । হিলট্রাক্টস ম্যানুয়েল ধারা নম্বর ৫২ তাদেরকে বহিরাগত অভিবাসী রূপে চিহ্নিত করেছে । বৃটিশের ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনে অনুমোদিত সাধারণ নির্বাচনে ভারতব্যাপী ভোটাধিকার প্রবর্তিত হয় । সে অনুযায়ী ১৯৩৬ ও ১৯৪৬ সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে প্রদেশ ও কেন্দ্রে সরকার গঠিত হয়েছে । পার্বত্য চট্টগ্রাম ছিল সে সময় ভোটাধিকার বঞ্চিত । ভোটাধিকার বঞ্চিত উপজাতীয়রা তখন তার বিরুদ্ধে কোন আপত্তি উত্থাপন করেনি । তাতে স্বাভাবিক ভাবেই ভাবা যায় , পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয়রা তখন স্থানীয় আদি ও স্থায়ী বাসিন্দারূপে গণ্য ছিলোনা । তাই তাদের ভোটাধিকার হীন রাখা ছিল যথার্থ । এই মূল্যায়নটিকে মৌলিক ও যথার্থ ভাবা যায় , যা এখনো প্রয়োগ ও প্রবর্তন যোগ্য । তবে পাকিস্তান আমলের ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে এই মূল্যায়নটির ব্যতিক্রম করে পার্বত্য উপজাতীয়দের ভোটাধিকার দান করা হয় , যা যথার্থ ছিল না বলে এখন প্রত্যাহার যোগ্য । এখন পাকিস্তান আমলের ভোটাধিকার দানকে অব্যাহত রেখে উপজাতীয়দের রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করা একটি ভুল । এখন এর সংশোধন করা আবশ্যক । এই ভুলেরই প্রতিফল হলো আঞ্চলিক ও জাতিগত স্বাতন্ত্র্যের দাবীতে জনসংহতি সমিতির বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ , পার্বত্য অঞ্চলে বাঙ্গালীদের অধিকারকে অস্বীকার , পর্বতাঞ্চলে নিজেদের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ইত্যাদি । বিদ্রোহী উপজাতীয়দের ভোটাধিকার দানের ভুলকে উদারতা ভাবা হলেও , তাতে কোন সুফল ফলেনি । এটি হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে আত্মহননের শামিল । মুক্তিযুদ্ধকালে চাকমা প্রধান ত্রিদিব রায়ের পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন এবং ১৮৩০ জন উপজাতীয় রাজাকার ও সিভিল ফোর্সের সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা ও তৎপর সশস্ত্র বিদ্রোহ আর গণহত্যা শাস্তি যোগ্য অপরাধ । এরূপ অপরাধের জন্যই অভিবাসী বিহারীরা এখন বৈরী ঘোষিত ও শিবির বাসী হয়ে দূর্ভাগ্যজনক বন্দি জীবন যাপন করছে । বিদ্রোহী উপজাতীয়রাও এরূপ শাস্তি পাওয়ার যোগ্য । ভুল স্বীকার , ও ক্ষমা প্রার্থণার মাধ্যমে দেশ ও জাতির অনুকম্পা লাভের সুযোগও তারা নেয়নি । সরকার অযাচিতেই যুদ্ধাপরাধী ত্রিদিব রায়ের অন্যতম পুত্র দেবাশীষ রায়কে উত্তরাধিকারী রূপে নিযুক্ত করেছেন । এই উদারতা ও অনুকম্পার প্রতিদান রূপে তিনি বাংলাদেশ ও বাঙ্গালীদের বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন । এই দূষ্কর্ম সমূহের প্রতিবিধানে আবশ্যক হলো সব অনুকম্পা ও উদারতা রদ করা , শান্তি চুক্তি রহিত করা , অগ্রাধিকার মূলক সব ব্যবস্থা সহ স্থানীয় পরিষদ সমূহ রহিত করা , এবং ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী উপজাতীয় ভোটাধিকারের অবসান । উপজাতীয় দুষ্কৃতি কারীদের অপরাধ বোধ না হওয়া এবং জাতি ও দেশের কাছে তজ্জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করা , দূর্ভাগ্য জনক । সেদিন অবশ্যই আসন্ন , যেদিন উপজাতীয়রা নিজেদের দূর্ধমের জন্য বৈরী ঘোষিত ও বিচারের সম্মুখীন হবে এবং শাস্তি পাবে । জাতি ও দেশের পক্ষে সে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

By admin

মতামত

x