বিভিন্ন সমেস্যা সমাধানে নেই তাদের কোন ভূমিকা। চলমান বিভিন্ন টেন্ডার ও বাজেট বরাদ্ধ দেয় বড় বড় সন্ত্রাসী লিডারদের। এ প্রক্রিয়ায পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী দলকে সহায়তা করে যাচ্ছে উপজাতি বিভিন্ন বড় বড় পদে থাকা নেতারা। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন সময়ের নিশ্চুপতা সাধারণ উপজাতি নৃ-গোষ্ঠীকে মারাত্মকভাবে ভাবিয়ে তুলেছেন।


প্রত্যেক ক্ষেত্রে যখন যে কোন কাজ চাঁদা দিয়ে করাতে হয়।
নিজ ভুমিতে চাঁদা দিয়ে বসবাস করতে হয় সেখানে নেতাদের বিভিন্ন সময়ের দেয়া ওয়াদা শুধু জনগণকে ধোকা দেয়া ছাড়া আর কিছুনা।
উপজাতি বিভিন্ন নেতা ও সন্ত্রাসের কবলে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ আজ অসহায়। নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী দলের বিভিন্ন মিথ্যাচার যেভাবে নেতারা চুপ করে মেনে নেয়। এটা একটা জাতির জন্য লজ্জাকর বিষয়। কখনো কোন উপজাতি নেতার মুখে শুনা যায়নি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজনীয়তার কথা। তারা সবাই এক এটা বুঝতে এটুকুই যথেষ্ট। আর তারা বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলা মামলার স্বীকার হলে দৌড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে। এবং জাতি বিপদে পড়লে সহায়তা ও আশ্রয় প্রয়োজন হলে যাবে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে। অথচ সহায়তা করে সন্ত্রাসীদের। নেতাদের কারণে আজ সাধারণ জনগন খুবি হুমকির মুখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার সাধারণ জনগনের জীবনের নিরাপত্তার জন্য একটু ভেবে দেখা খুবি প্রয়োজন এত অত্যাচার ও অবৈধ অস্ত্রের নিরাসন করতে নিরাপত্তা জোরদার খুবি প্রয়োজন। ঘাপটি মেরে থাকা উপজাতি নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করে দেশপ্রেমি জনগণকে নেতৃত্বে বসাতে হবে।

By admin

মতামত

x