খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইউপিডিএফ প্রসিত সন্ত্রাসী ও তাদের সহযোগী অঙ্গসংগঠন-
১. পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি),
২. পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব ফোরাম
৩. হিল উইমেন্স ফেডারেশন,
এর সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নতুন মাত্রায় লিপ্ত হয়েছে। দীর্ঘ ৪ বছর তারা সাংগঠনিক ভাবে কোণঠাসা ছিল। চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যা ইস্যুতে তাদেরকে সাধারণ জনগণ বয়কট করেছে। প্রশাসনও তাদের বিরুদ্ধে সরব ছিল। দীর্ঘদিন যেহেতু তারা রাজপথে নেই। তাই তারা নতুন একটি মাত্রার ইস্যুর জন্য অনেকটা মুখিয়ে ছিল। গত ১২ মার্চ, নবায়ন চাকমা ওরুফে মিলন চাকমা নামে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় তাদের এক কোম্পানি কমান্ডার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। উক্ত মিলন চাকমাকে সেনাবাহিনী তার বাড়ি হতে অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে অসুস্থ অবস্থায় আটক করে। আটকের পর তার চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে সেনাবাহিনী। কিন্তু হাসপাতালে মিলন চাকমার মৃত্যু হয়। মিলন চাকমার মৃত্যুকে ইউপিডিএফ ইস্যু করে সাংগঠনিক জোরদার করে আবারো পার্বত্য চট্টগ্রামে নাশকতার পাশাপাশি, হত্যা, অপহরণ ও চাঁদাবাজির মহোৎসব করার পরিকল্পনা করছে। ডাক দেয় আধা বেলা সড়ক অবরোধের!!!

তারা নবায়ন চাকমা মিলনকে নিয়ে যে, এত আয়োজন করেছে!! বস্তুত মিলন চাকমা ৩টি মামলার আসামী, তার মামলা গুলো এখনো চলমান। এমন এক সন্ত্রাসীর পক্ষ নিয়েছে তারা।

তারই ধারাবাহিকতায় পুরো সাপ্তাহ ব্যাপী তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়। আজ থেকে তারা আবার লিপ্ত হল নতুন মাত্রায়, তা হল- পোস্টারিং করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার জন্য মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দেওয়া।

পোস্টারিং এ তারা যে, বাক্য ব্যবহার করেছে, তার বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। এটা তাদের পরিকল্পিত সাজানো ইস্যু। ছবি এডিট করে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীত লেখা ছাপিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করার ষড়যন্ত্র করছে।
তাদের এই অপপ্রচার রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান রইল।

By admin

মতামত

x