বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী কোনো আদিবাসী নেই৷ পূর্বে আদিবাসী কোন কোটাও ছিল না। হঠাৎ আদিবাসী কোটার দাবি। এটা নিঃসন্দেহে ষড়যন্ত্র। বাংলাদেশ সংবিধানের ২৩ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উপজাতি রয়েছে। সংবিধান বিরোধী আদিবাসী শব্দ ব্যবহার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র৷ আদিবাসী শব্দটি পশ্চিমাদের দেওয়া শব্দ।



দীর্ষসময় উপজাতি কোটার সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে উপজাতিরা এখন চালকের আসনে অবতীর্ণ। তাছাড়া ১% এর কম জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য ৫% কোটা সুবিধা কীভাবে সম্ভব?? এই কোটার মাধ্যমে অযোগ্য উপজাতিরা অগণিত ভাবে প্রশাসন ক্যাডারে চলে আসছে এবং দেশের প্রশাসনকে মেরুদণ্ডহীন করছে।

এই উপজাতিরা বাংলাদেশ এবং বাঙ্গালী বিরোধী, কথাবার্তা তারা সবসময় বাঙ্গালীকে অবজ্ঞা করে অথচ তারা এখন কোটা দাবি করে! সত্যি এটা দুঃখজনক৷ পাহাড়ে ৬/৭ টি উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুন-গুম ও রাষ্ট্র বিরোধিতা করে বাংলাদেশ ভেঙে আলাদা রাষ্ট্র গঠন করার পরিকল্পনা করছে। অথচ তারাই আদিবাসী দাবি করে এবং কোটা দাবি করে। এই কোটা সুবিধা নিয়ে তারা প্রশাসনিক অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে৷

সরকার যখন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকরিতে কোটা বাতিল করে, ঠিক তখনই সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকা অযোগ্য উপজাতিরা কোটা দাবি করছে।

আমরা উপজাতিরা কোন অংশে বাঙ্গালীর চেয়ে যোগ্যতায় কম এগিয়ে নয়। এমন কথা উপজাতিরা হরহামেশাই বলে থাকে! এখন আমাদের প্রশ্ন- সোনা এখন কেন কোটা দাবি করো?

By admin

মতামত

x