Home / রাঙামাটি / বাঘাইছড়ি ৭ খুনের ঘটনায় ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাত করে পুলিশের মামলা।

বাঘাইছড়ি ৭ খুনের ঘটনায় ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাত করে পুলিশের মামলা।

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির ৭ খুনের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার প্রায় তিন দিন পর বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাঘাইছড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে। মামলায় অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত বাঘাইছড়ি পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে সদরে ফেরার পথে ৯ কিলোমিটার এলাকায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে প্রাণ হারান নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ৭ জন।

বাঘাইছড়ি থানার ওসি এমএ মঞ্জুর এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অজ্ঞাত ৪০-৫০ জনকে আসামি করে থানা পুলিশের এসআই মো. আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার পর আসামি গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দ্রুত অগ্রগতি আসতে পারে।

প্রসঙ্গত, সোমবার দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনে দিনভর দায়িত্বপালন শেষে নির্বাচনী সরঞ্জামসহ উপজেলার সাজেকের কংলাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ছেড়ে গাড়িবহর নিয়ে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন, নির্বাচনী কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীদের দল। পথে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার কাছাকাছি বাঘাইছড়ির ৯ কিলোমিটার নামক এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বহনকারী দুটি জিপগাড়ি লক্ষ্য করে অতর্কিত এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা। প্রশাসন সহ স্থানীয়দের সন্দেহর তীর পার্বত্য শান্তিচুক্তি বিরোধী সংগঠন ইউপিডিএফ প্রসিত গ্রুপ এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

এতে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ৬ জন। যাদের মধ্যে ছিলেন নির্বাচনী দায়িত্বপালন করা শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আনসার-ভিডিপি সদস্য। পরে খাগড়াছড়ি থেকে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম নেয়ার পথে মারা যান গুলিবিদ্ধ শিক্ষক মো. তৈয়ব।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশের সদস্য, আনসার-ভিডিপি সদস্যসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষকসহ ১৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার শিজক কলেজের প্রভাষক আবদুল হান্নান আরবসহ অনেকের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মতামত

x