||আবুল কালাম|

সম্পাদকীয়, হিল নিউজ বিডি.কম- পার্বত্য অঞ্চল অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য এইসব নাস্তিকবাদী সংবাদমাধ্যম দায়ী। তাদের মূল উদ্দেশ্য উপজাতি বাঙ্গালী সহিংসতা উস্কে দেওয়া এবং পার্বত্য অঞ্চল অশান্ত করে তোলা।

পাহাড়ে সম্প্রীতি নিয়ে নুহাশ হুমায়ূনের তৈরি মোবাইল ফোনের বিজ্ঞাপনটি নিয়ে বিবিসি বাংলা অতিরঞ্জিত বাড়াবাড়ি শুরু করেছে। তরুণ নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন বিজ্ঞাপনটি পরিচালনা করেন সম্প্রীতির লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে। অথচ বিবিসি বাংলা বিজ্ঞাপনটি নিয়ে এক প্রকার অপপ্রচার করে বিজ্ঞানপনটি প্রশ্নবৃদ্ধ ও বির্তকিত করার চেষ্টা করছে!

বিজ্ঞাপনটির কনসেপ্ট দিয়েছেন যিনি – সেই তুরাস আইমান পরিষ্কার ভাবে বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতির চিত্র তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই বিজ্ঞাপনটি তৈরি করা হয়েছে এবং এর পেছনে তাদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

তুরাস আইমান আরো বলেন, বাংলাদেশের পাহাড়ে গিয়ে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে যে হৃদ্যতার সম্পর্ক আমাদের চোখে পড়েছে, সেটি তুলে ধরাই ছিল বিজ্ঞাপনটির মূল উদ্দেশ্য। এখানে কোনো গোষ্ঠী, সম্প্রদায় বা ধর্মের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে খাটো করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

সত্য ঘটনা অবলম্বনে শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছে TECNO Mobile

এই রমজানে ইনোভেটিভ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড TECNO সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি করছে একটি বিশেষ শর্ট ফিল্ম। এটি পরিচালনা করছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা অনুসারে নির্মিত হচ্ছে এটি। একইসাথে পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য কিভাবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে একটি পরিবারের মতো একত্রিত করতে পারে তাও এই কাহিনিতে দেখানো হয়েছে।

এই অসাধারণ গল্পের আইডিয়া ও কনসেপ্ট দিয়েছে দেশের অন্যতম ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী সংস্থা অ্যানালাইজেন বাংলাদেশ।

শর্ট ফিল্ম নির্মাণের কাজের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে নুহাশ হুমায়ূন বলেন, শ্যুটিংটা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিলো! কারণ, আমাদেরকে বান্দরবানের রিমোট লোকেশনে, পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতে হয়েছে। শ্যুট করতে হয়েছে ন্যাচারাল লাইটিংয়েই।

সারাদিন ধরে অবিরাম শ্যুটিং চলেছে। আর সবচেয়ে বড়ো কথা, সেসময় আমাদের বেশির ভাগ ক্রু-রা রোজা রেখেছিলেন। কিন্তু গল্পটা এত পাওয়ারফুল ছিলো যে সবার এই পরিশ্রম সার্থক হয়েছে বলেই আমি মনে করি।

বিজ্ঞাপন এর লিংক https://www.facebook.com/235661269882117/posts/2184217998359758/

বিবিসি বাংলা’র প্রতিবেদক ও ডেস্ক এর নাম ছাড়া সাম্প্রদায়িক মনোভাবের নিউজ লিংক।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2415170108521880&id=264572343581678

By admin

One thought on “বিবিসি বাংলা বরাবরই পার্বত্য নিয়ে জঘন্যতম কাল্পনিক মিথ্যাচারে লিপ্ত!”

মতামত

x