সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: যমচুগ পাহাড়ে আগুন লাগানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন।

0

সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মহল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদেরই অংশ হিসেবে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে রাঙামাটির বন্দুকভাঙার যমচুগ পাহাড়ে আগুন লাগানোর ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ি অঞ্চলসহ দেশের সকল বনাঞ্চল ও প্রকৃতির সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। তারা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পাহাড়ের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, প্রমাণবিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সেনাবাহিনী পাহাড়ি অঞ্চলে চোরাকারবারি ও সন্ত্রাস দমনের পাশাপাশি বন ও পরিবেশ রক্ষায় সহায়তা করে। সেনাবাহিনী আগুন লাগানোর মতো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারে—এমন ধারণাই অযৌক্তিক।

সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। কিছু গোষ্ঠী এই শৃঙ্খলা ভাঙতে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে নানিয়ারচর জোন কমান্ডার মো. তানভীর আহম্মেদ সাদীর (পিএসসি) নেতৃত্বে শতাধিক সেনাসদস্য বন্দুকভাঙা এলাকায় নিয়মিত অভিযানে যায়। এরপরই পরিকল্পিতভাবে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়।

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সেনাবাহিনী স্থানীয়দের আপত্তির পর মারিচুগ এলাকা থেকে সরে যায়। এরপরও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বারবার ক্যাম্প স্থাপনের গুজব ছড়িয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে দেখা থেকে ভিত্তিহীন। দেশের নিরাপত্তা ও শান্তির স্বার্থে গুজবের বদলে প্রকৃত সত্যের ওপর ভিত্তি করেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

লেখক: আল শাহরিয়ার রোকন, রাঙামাটি।

আগের পোস্টবিলাইছড়ি জোনের উদ্যোগে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান।
পরের পোস্টরাঙামাটিতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

রিপ্লাই দিন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন