শরণার্থী ও উদ্বাস্তু পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের বৈষম্যমূলক কার্যক্রম এবং বৈঠক বাতিলের দাবি।

0

মোঃ সোহেল রিগ্যান

পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে সংঘাত রয়েছে। ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্স একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উদ্ভূত হয়েছে। সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ষ্পেশাল এ্যাফেয়ার্স বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-এর স্মারক নং-ষ্পেঃএ্যাঃবিঃ(প্রঃ-১)-১(ঞ)/৯৫(অংশ-১)/১৮৫, তাং- ৮/৪/১৯৯৭খি. এই টাস্কফোর্সকে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ফলস্বরূপ উপজাতি, বাঙালি, জেএসএস, সামরিক কর্মকর্তাসহ ১০ সদস্য নিয়ে অঙ্গীভূত করা হয়। সংঘাতকালীন বাস্তুচ্যুত মানুষজনের পুনর্বাসনের দায়িত্ব পালন করে আসছে। কিন্তু এর কর্মপদ্ধতিতে উপজাতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি পক্ষপাতিত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এই প্রতিবেদনে, টাস্কফোর্সের ইতিহাস, বর্তমান কার্যক্রম, বৈষম্যের উদাহরণ এবং সংস্কারের দাবিগুলোকে বিশ্লেষণ করা হবে।

টাস্কফোর্সের গঠন ও উদ্দেশ্যকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এটি শুধুমাত্র উপজাতীয়দের জন্য গঠিত হয়নি। জেএসএস-এর সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীর সঙ্গে সরকারী বাহিনীর সংঘর্ষকালীন, যেসকল উপজাতীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এর মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে, অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন বলতে সেইসকল উপজাতীয় এবং বাঙালি ব্যক্তিদের বোঝানো হয়েছে, যারা তৎসময়ে পাহাড়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। বাঙালিরা একাধিকবার উদ্বাস্তু হয়েছেন এবং পুনর্বাসিত বাঙালিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু টাস্কফোর্সের কার্যক্রম শুধুমাত্র ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের নির্দিষ্ট করতে গিয়ে শুধুমাত্র উপজাতীয়দের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। টাস্কফোর্স থেকে স্থানীয় ইউএনও-র কাছে চিঠিতে শুধুমাত্র উপজাতীয়দের নামের তালিকা প্রদানের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে এবং বাঙালিদের বাদ দিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

ছবি: চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা

বর্তমান পরিস্থিতিতে, কমিশনারের কার্যালয় চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম (উন্নয়ন শাখা) নম্বর: ০৫.৪২.২০০০.০০০.০৩১.৩৪.০০০৩.১৬.২৬০, তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, সভার নোটিশের সূত্র মতে, টাস্কফোর্সের ১২তম সভা আগামী ২২ অক্টোবর ২০২৫, বুধবার সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই সভায় সিনিয়র সচিব মর্যাদায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিয়োগপ্রাপ্ত সুদত্ত চাকমা। একমাত্র বাঙালি প্রতিনিধি এডভোকেট মহিউদ্দীন কবীর স্বৈরাচারের নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ দেওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু একই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সুদত্ত চাকমা পদত্যাগ করেননি। এখন দেখা যাচ্ছে, বাঙালি সদস্যকে পদত্যাগে বাধ্য করে উপজাতীয় সদস্যদের নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎপর সুদত্ত চাকমা। অথচ সুদত্ত চাকমা পদত্যাগ করার কথা ছিল। অতীত ও বর্তমানে টাস্কফোর্স সম্পর্কে তেমন তথ্য এবং তার কার্যক্রম সম্পর্কে পাহাড়ের মানুষদের জানতে সুযোগ দেওয়া হয় না, অথচ এটি রাষ্ট্রের অর্থে পরিচালিত দপ্তর। উপজাতীয়দের এজেন্ডা এবং উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বাঙালিদের মাইনাস করার প্রবণতা বরাবরই এই টাস্কফোর্স দেখিয়েছে, যার কারণে এটি সংস্কারের দাবি জোরালো হচ্ছে।

এই আসন্ন সভার আলোচ্যসূচি গুরুত্বপূর্ণ:
ক) পূর্ববর্তী সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন;
খ) অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু সংক্রান্ত আলোচনা; গ) স্বেচ্ছায় ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত আলোচনা;
ঘ) ঋণ মওকুফ সংক্রান্ত আলোচনা;
ঙ) ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা সংক্রান্ত আলোচনা; চ) ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থীদের চাকুরিতে পুনর্বহাল এবং চাকুরিতে জ্যেষ্ঠতা প্রদান সংক্রান্ত;
ছ) সদস্যদের সম্মানী প্রদান সংক্রান্ত;
জ) টাস্কফোর্সের কার্যপরিধি সংক্রান্ত;
ঝ) বিবিধ।

এই আলোচ্যসূচি দেখে স্পষ্ট যে, উপজাতীয়দের সুবিধা প্রদানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

টাস্কফোর্সের অতীত ঘটনাবলী পর্যালোচনা করলে দেখা যায়। পার্বত্য চট্টগ্রাম সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত শরণার্থীদের পুনর্বাসনের জন্য এই টাস্কফোর্স প্রতিষ্ঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা। খাগড়াছড়ির সাবেক এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরাও টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান ছিলেন। সূত্র: পরবর্তীতে বেশ কয়েক বার পুনর্গঠনের পর সর্বশেষ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রজ্ঞাপন নং-২৯.০০.০০০০.২২৩.১৮.০৪.১৭-১৯০, তাং-১০/১২/২০১৭খ্রি। ঐসময়ে কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) কর্তৃক সাক্ষরিত ১৪ জুলাই ২০১৯ এবং ২ আগস্ট ২০২২ খ্রিস্টাব্দে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-দের নিকট পাঠানো স্মারক মূলে অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ উপজাতীয় শরণার্থীদের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত তালিকা দাখিল করার জন্য পত্রের মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হয়। পত্রে শুধুমাত্র উপজাতীয় অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের কথা বলা হয়েছে, অথচ উপজাতীয়দের পাশাপাশি তৎকালীন পার্বত্য বাঙালিরাও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু ছিলেন।

জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে ভারত সরকার ভারতে বাংলাদেশী শরণার্থীদের একটি তালিকা প্রদান করে। ১৯৯৭ সালের মার্চ মাসে, পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্ত পরিস্থিতির সময়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের পুনর্বাসনে সহযোগিতার জন্য জনপ্রতিনিধি, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, শরণার্থী প্রতিনিধির সমন্বয়ে ১০ সদস্যের এই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত পার্বত্য চুক্তিতে টাস্কফোর্সকে অঙ্গীভূত করা হয়। ভারত সরকার ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশী শরণার্থীদের একটি হালনাগাদ তালিকাও এইসময় সরবরাহ করেছিল।

পার্বত্য চুক্তির পরে প্রশাসনের মাধ্যমে করা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৯০,২০৮ জন ও ৩৮,১৫৬ জন বাঙালি অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু তালিকা ২০০০ সালের ১৫ মে টাস্কফোর্সে সভায় অনুমোদন দেওয়ার পর বিতর্ক শুরু হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও শরণার্থী কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিরা এ তালিকা নিয়ে আপত্তি করেন। তারা দাবি করেন, টাস্কফোর্সে শুধু প্রত্যাগত শরণার্থী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু পুনর্বাসনের কথা বলা হয়েছে। ২০০৯ সালের শেষের দিকে, টাস্কফোর্স রিপোর্ট করে যে ১২,২২৩টি পরিবার যাদের ৬৪,৬১২ জন সদস্য রয়েছে, তারা সংঘাত অবসানের পর পার্বত্য চট্টগ্রামে ফিরে এসেছে ও তাঁদের পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২০১৬ সালে, টাস্কফোর্স ভারত থেকে ফিরে আসা অতিরিক্ত ২১,৯০০ শরণার্থী পরিবারকে চিহ্নিত করে। সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে, টাস্কফোর্স ভারত থেকে ফিরে আসা ২১,৯০০ শরণার্থী পরিবারের এবং অভ্যন্তরীণ ভাবে বাস্তুচ্যুত ৮২,০০০ পরিবারের একটি তালিকা তৈরি করে। টাস্ক ফোর্স তালিকাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রেরণ করে যাতে সরকারের ব্যয়ে শরণার্থীদের পুনরায় বসতি স্থাপন করা যায়। টাস্কফোর্স অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ৩৮,০০০ অ–উপজাতিকে চিহ্নিত করে তাদের পুনর্বাসনের জন্যও একটি প্রস্তাব রেখেছিল।

কমলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, ২০১৮ তালিকাটি সঠিক নয় বলে সমালোচনা করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের এক বেনামি নিরাপত্তা কর্মী দাবি করেছেন যে তালিকায় ভারত ও মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করতে টাস্কফোর্স তাদের সাথে একত্রিত হয়েছে। টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা কেবল ২০০৯-এর তালিকাটিকে সঠিক বলে বর্ণনা করেছিলেন।

বিভিন্ন সময় অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ তালিকায় উপজাতীয়দের পাশাপাশি পার্বত্য বাঙালিরাও ছিলেন। বর্তমানে ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্স কর্তৃক অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু বাঙালীদের তালিকা হতে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পাঠানো স্মারক পত্রে বাঙালীদের নাম বাদ দিয়ে শুধুমাত্র উপজাতীয়দের তালিকা দাখিল করার এবং শুধুমাত্র উপজাতীয়দের অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিষয়টি নিয়ে পার্বত্য বাঙালি ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু বাঙালিদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ পার্বত্য বাঙালিরা ১৯৯৭ সালের চুক্তির আগে বহুবার উপজাতীয় শান্তিবাহিনী নামক সন্ত্রাসীদের হামলায় এবং ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার কারণে অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু হয়েছিলেন।

তৎকালীন সময়েই ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্স হতে অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু উপজাতীয় পরিবারের নামের তালিকা দাখিল বিষয়ের স্মারক পত্রটি বৈষম্যমূলক এবং ভেদাভেদ সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা বলে বাঙালিরা মনে করে এই তালিকা চূড়ান্তভাবে দাখিলের পর অনেক ভারতীয় ও মায়ানমারের নাগরিক পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসের বৈধতা পাবে এবং সরকারী সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং অনেক উপজাতীয় পরিবার পূর্ণবাসনের জন্য অর্থ সহায়তা পাবে। এর থেকে বঞ্চিত হবে হতাহত ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু বাঙালিরা। মূলত টাস্কফোর্সে সংখ্যা গরিষ্ঠভাবে বাঙালি সদস্য না থাকায় সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করা সম্ভব না। আর যেহেতু পার্বত্য চট্টগ্রামে হেডম্যান উপজাতীয় সম্প্রদায় থেকে, সে ক্ষেত্রে হেডম্যানরা চাইলে ভারত ও মায়ানমারের যেকোনো উপজাতীয়কে বাসিন্দা হিসেবে প্রতিবেদন দিতে পারে। তাই উপজাতীয় শরণার্থীদের তালিকা করার ক্ষেত্রে তাদের বিভিন্ন কাগজপত্র অবশ্যই বাধ্যতামূলক প্রয়োজন। না হয় অনেক ভারত মায়ানমারের উপজাতীয় নাগরিক বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করতে পারে।

বাঙালিদের দাবি হচ্ছে, বর্তমানে আগামী ২২ অক্টোবরের সভার আলোচ্যসূচির অংশ পূর্ববর্তী সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন দেওয়ার পূর্বে সভা বাতিল করে এই পূর্ববর্তী সভার কার্যবিবরণীতে কি কি বিষয় রয়েছে, এবং বাঙালিদের বাদ দিয়ে উপজাতীয়করণ হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা। এই নিয়ে বাঙালিদের দাবি হচ্ছে, অতিবিলম্বে বিগত বছরের বৈষম্যমূলক স্মারকপত্র বাতিল করে উপজাতীয় এবং বাঙালী অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করা হোক এবং ২২ অক্টোবরের বৈঠক বাতিল করে বাঙালি প্রতিনিধি নিয়োগ করা হোক। একইসাথে টাস্কফোর্সের বিতর্কিত বিধিমালা সংশোধন এবং অফিসের জনবল শতভাগ উপজাতীয় নিয়োগ বন্ধ করে বাঙালি থেকে নিয়োগ করা হোক। যেখানে একটি ভারসাম্য ও সুস্থ পরিবেশ তৈরি হবে।

বাঙালিরা মনে করে, এই টাস্কফোর্স যদি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের পথে না চলে, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হবে। সরকারকে এই বৈষম্য দূর করে সকল সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে, যাতে অতীতের ক্ষত গভীর না হয়।

আগের পোস্টপাহাড় পেরিয়ে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক মাঠে ইউপিডিএফ এর নৃশংস হামলায় আহত ৬
পরের পোস্টপার্বত্য চট্টগ্রাম টাস্কফোর্সের ১২তম সভা স্থগিত।

রিপ্লাই দিন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন