পার্বত্য চুক্তির অগ্রগতি; প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ কতটা সফল?

0

১৯৯৭ সালের ২-রা ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি নামে পরিচিত। সরকারের পক্ষে আবুল হাসান আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল— বহু বছরের সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংঘাত শেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করা, তাদের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, আর্থ–সামাজিক অধিকার সুনিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে সকল জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে একটি অংশগ্রহণমূলক স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করে পার্বত্য চট্টগ্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

২০২৫ সালের ০২ ডিসেম্বর এই চুক্তির ২৮ বছর পূর্ণ হলো। এই ২৮ বছরে চুক্তির অগ্রগতি হয়েছে কতোটুকু এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ কতোটা সফল হয়েছে তা আজ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িঁয়েছে। এই চুক্তিতে মোট ৭২টি ধারা রয়েছে। যার মধ্যে ৬৫টি ধারা সম্পূর্ণরুপে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনটি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে এবং বাকি চারটি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করছে সরকার। জাতিসংঘ ২০২৩ সালের ১৭ থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২২তম অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছে।

পাহাড়ের সন্ত্রাসবাদ ও সংঘাত বন্ধ করে পার্বত্যবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি এবং সংরক্ষণের জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, চুক্তির অপরপক্ষ তথা জনসংহতি সমিতির একটি ধারা বাস্তবায়নের কথা চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে সেটা হলো, অবৈধ অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করা। কিন্তু তারা সেই একটি ধারাই বাস্তবায়ন করেনি যা চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে এই চুক্তির ব্যাপক অগ্রগতি লক্ষণীয়। যার মধ্যে রয়েছে-

সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ, অপহরণ, চাঁদাবাজি চুক্তির পূর্বের সময়ের তুলনায় কমে এসেছে। এতে শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আর এই সন্ত্রাস দমন ও পাহাড়ের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফেরাতে সবচেয়ে বেশি অবদার রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পাহাড়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায় শতাধিক সৈন্য পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছে।

রাস্তা, ব্রিজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ–পানি–যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। সরকারি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বিগত ২৮ বছরে তিন পার্বত্য জেলায় ৭ হাজার ৯৪৯ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে, যা চুক্তির আগে ছিলো মাত্র ২ হাজার ৮০৩ কিলোমিটার। পাশাপাশি ৭০০ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। ৯ হাজার ৮৩৯ মিটার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নিমার্ণ করা হয়েছে যা শিগগিরই চালু হবে।

শিক্ষাখাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে পার্বত্য চুক্তির ফলে। চুক্তির আগে যেখানে ১৯৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিলো সেখানে এখন মোট ৪০৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। যেখানে কলেজ ছিলো মাত্র ২৫টি সেখানে এখন ৫১টি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে ১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ১টি মেডিকেল কলেজ, ২টি নার্সিং কলেজ এবং বান্দরবানে পাবলিক প্রাইভেট অংশীদারিত্বে গড়ে উঠেছে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়।

স্বাস্থ্য সেবাতেও অগ্রগতি বিশেষভাবে লক্ষণীয়। চুক্তির আগে পাহাড়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ছিলো মাত্র ৯১ টি। যা চুক্তির পর ২১২ টিতে এসে দাড়িঁয়েছে। চুক্তির পর বড় ও মাঝারি ৪৪টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে ৭হাজার ২৯৯টির অধিক, যার ফলে পার্বত্যবাসীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও এবং তার অধিকাংশ সদস্য ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে বাধ্যতামূলকভাবে উপজাতি সম্প্রদায় থেকে নিয়োগের বিধান করা হয়েছে। উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি ও তাদের ইতিহাস-ঐহিত্য সংরক্ষণ করার জন্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। যা চুক্তির অন্যতম ধারাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি।

সরকারি চাকরি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে কোটা ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়েছে। যদিও তা একচেটিয়া উপজাতি সম্প্রদায়ের জন্য করা হয়েছে। কোটার মাধ্যমে প্রতি শিক্ষাবর্ষে শত শত উপজাতি শিক্ষার্থী দেশের সরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছে। তাছাড়া সরকারি চাকরিতে ক্ষেত্রেও কোটা সুবিধা ভোগ করে যাচ্ছে যার ফলে তাদের মধ্যে বেকারত্বের সংখ্যা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীদের স্ব-স্ব ভাষায় পাঠ্যপুস্তক তৈরী করা হয়েছে। যার কারণে তারা নিজ মাতৃভাষায় পড়ালেখা করার সুযোগ পাচ্ছে। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির কারণে।

চুক্তির অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিলো প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করা। অর্থাৎ সরকার তার প্রশাসনিক, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাকে স্থানীয় বা আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই ধারাগুলো বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি তৎপরতা দেখা গিয়েছে।

আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ—এই দুটি স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন কাঠামো কার্যকর করা রয়েছে। ইতোমধ্যে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে ২৮টির অধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিভাগের দায়িত্ব স্থানান্তর করা হয়েছে। যা চুক্তির একটি সুদীর্ঘ মাইলফলক। চুক্তির খ অংশের ৩৪ ও ৩৫ নং ধারা অনুযায়ী পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে ২৮টিরও বেশি সরকারি বিভাগের দায়িত্ব সম্পূর্ণরুপে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা পরিষদ এই প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে পরিচালনা করছে। পরিচালনা, নিয়োগ ও বদলীসহ ইত্যাদি ক্ষমতা জেলা পরিষদের উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে।

সরকার চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই জেলা পরিষদের নিকট নিম্নোক্ত বিভাগের কার্যাবলি ও ক্ষমতা প্রদান করেছে- ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, পুলিশ (স্থানীয়), উপজাতীয় আইন ও সামাজিক বিচার, যুব কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, স্থানীয় পর্যটন, পৌরসভা ও ইউপি ব্যতীত ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট ও অন্যান্য স্থানীয় শাসনসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় শিল্প বাণিজ্যের লাইসেন্স প্রদান, কাপ্তাই হ্রদের জলসম্পদ ব্যতীত অন্যান্য নদী-নালা, খাল বিলের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সেচ ব্যবস্থা, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ও অন্যান্য পরিসংখ্যান সংরক্ষণ, মহাজনী কারবার ও জুম চাষ।

তাছাড়া পার্বত্য জেলা পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর, রেইট, টোল ও বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত ফি ও ট্যাক্স গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গুলো জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করায় তাতে স্থানীয় জনগণের একচেটিয়া অংশগ্রহণ এবং সুযোগ সুবিধা ভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অবহেলিত ও অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

চুক্তির গ অংশ অনুযায়ী ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ’ গঠন করে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ আরো এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে সরকার। এই আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যানসহ মোট ১৫ জন উপজাতি এবং মাত্র ৭জন অউপজাতীয় সদস্যের দ্বারা গঠিত হয়। এই আঞ্চলিক পরিষদ তিন পার্বত্য জেলা সাধারণ প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন ও জেলা পরিষদের উপর ন্যাস্ত সমস্ত বিভাগের কাজের ব্যাপারে আঞ্চলিক পরিষদ সমন্বয় সাধন ও তত্ত্ববধান করতে পারবে।

একজন বিচারপতির নেতৃত্বে এবং বাকিসব উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর সদস্যেদের দ্বারা পাহাড়ের ভূমি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন গঠন করা হয়েছে। পাহাড়ে বিদ্যমান ভূমি জটিলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য আঞ্চলিক পরিষদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে ভূমি কমিশন। দেশে ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি সমস্যা সমাধানের নানান পথ বিদ্যমান থাকার পরও আলাদা করে পাহাড়ে ভূমি কমিশন গঠন করা হয়েছে যা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অন্যতম ও উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অন্যদিকে চুক্তির গ অংশের ১৯ নং ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলকভাবে উপজাতীয়দের মধ্য হতে মন্ত্রণালয়ে নিয়োগে একতরফা আধিপত্যের বিধান প্রণয়ন করে শুধু পার্বত্যবাসীর কল্যাণের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মোট ১৫ জন সদস্যের মধ্যে সিংহভাগ উপজাতীয় জনগোষ্ঠী থেকে নিয়োগের বিধান করে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চুক্তির যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা সরকারের চুক্তি বাস্তবায়নের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতারিই বহিঃপ্রকাশ।

সার্বিকভাবে দেখা যায় — পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার সবচেয়ে বেশি আন্তরিক এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি চুক্তিতে উভয়পক্ষেরই করণীয় বিষয় থাকে, কিন্তু এই চুক্তিতে সরকার অধিকাংশ ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা বাস্তবায়ন করলেও অপরপক্ষ তাদের পালনীয় একটি শর্ত ‘অস্ত্র জমাদান এবং আত্মসমর্পণ করা’ বাস্তবায়ন করেনি। যার কারণে চুক্তির অগ্রগতি বেশকিছু ক্ষেত্রে ব্যাহত হচ্ছে এবং অপরপক্ষ সরাসরি চুক্তির ধারা লঙ্ঘন করছে।

প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় শাসন গঠন, শিক্ষা-চাকরী ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধন, সাংস্কৃতিক–নৃতাত্ত্বিক স্বীকৃতি এবং অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন সহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশ সফলতা অর্জন করেছে পার্বত্য চুক্তি। কিন্তু এই চুক্তিতে বেশ কয়েকটি জাতিগত বৈষম্য ও বিতর্কিত ধারা রয়েছে যা এখন সময়োপযোগী তথা সংশোধন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে বিশেষ করে ভূমি অধিকার তথা ভূমি সমস্যা সমাধান, পুনর্বাসন, পাহাড়ি বাঙালিদের মাঝে অনাস্থা নিরসন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা — এই দিকগুলোতে অচল অবস্থা বা আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে। যা বাস্তবায়িত হলে এবং বিতর্কিত ধারাসমূহ সময়োপযোগী বা হালনাগাদ করা হলে এই চুক্তি সাফল্যে শিখরে পৌঁছাবে।

আগের পোস্টপার্বত্য চুক্তির ২৮ তম বার্ষিকী: অবৈধ অস্ত্রশস্ত্রের ধ্বনিপ্রতিধ্বনিতে প্রত্যাশিত শান্তির প্রত্যাবর্তন ঘটেনি।
পরের পোস্টপার্বত্য শান্তিচুক্তি; আঞ্চলিক রাজনীতির বিভাজন ও ক্ষমতার লড়াই।

রিপ্লাই দিন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন