পাহাড় কেটে ক্যাথলিক গীর্জা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাস নির্মাণ করছে!

0
ছবি: কামরুজ্জামান

নিউজ ডেস্ক:

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ব্রাদার্স অব হলিক্রস বাংলাদেশ ‘ক্যাথলিক গীর্জা’ দুইটি সম্পূর্ণ পাহাড় কেটে সমতল করে খ্রিস্টান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রবাস স্থাপনা নির্মাণ করছে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে এমন নির্মাণকাজ কীভাবে অনুমোদন পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর এই কর্মকাণ্ডের বিষয়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে।

২০২১ সালে একই এলাকায় লামা আল আমিন কো-অপারেটিভ লিমিটেড নামে একটি নিবন্ধিত সংগঠন স্কুল করার জন্য সামান্য মাটি কাটতে গেলে প্রশাসনের কঠোর বাধার মুখে পড়ে। অথচ এখন ব্রাদার্স অব হলিক্রস ক্যাথলিক গীর্জার জন্য পুরো দুটি পাহাড় কেটে নির্মাণকাজ চলছে নির্বিঘ্নে। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য বিদ্যমান।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষার নামে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষত বান্দরবান জেলায় খ্রিস্টান মিশনারিদের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে গরিব ও অসহায় শিশুদের শিক্ষার নামে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর ফলে উপজাতি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং প্রকৃতিপূজার ধর্মীয় বিশ্বাস হুমকির মুখে পড়ছে।

এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিসত্তাগুলো তাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলবে। পাহাড় ও পরিবেশ রক্ষায় যেখানে স্থানীয় জনগণকে কঠোর নিয়মের মধ্যে রাখা হয়, সেখানে ধর্মীয় সংগঠনগুলোর জন্য বিশেষ ছাড় কেন? প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কীভাবে এই নির্মাণকাজের অনুমতি দিল—এ প্রশ্নের জবাব প্রশাসনের কাছে স্থানীয়দের।

 

আগের পোস্টসার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা, পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ৭ দফা দাবি।
পরের পোস্টবাঘাইছড়ি ব্রাশফায়ার ৮ হত্যা, বিচার দাবিতে স্বজনদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান।

রিপ্লাই দিন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন