Home / ফেসবুক মন্তব্য / সুভাষ চাকমা জেল হতে বাহির হলে নাশকতার লক্ষ্যে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে।

সুভাষ চাকমা জেল হতে বাহির হলে নাশকতার লক্ষ্যে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে।

জেএসএস সন্তু গ্রুপের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা “সুভাষ চাকমা” জেল হতে বাহির হলে নাশকতার লক্ষ্যে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে।

সূত্রে জানা যায়, কাউখালী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকারী সন্ত্রাসী দল জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের কাউখালী উপজেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নেতা সুভাস চাকমা দীর্ঘদিন যাবৎ কাউখালী উপজেলায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, অপহরণ, খুন, গুম, আওয়ামীলীগ অফিসে হামলা সহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের প্রাণনাশের হুমকি সহ অপতৎপরতা মূলক কর্মকান্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়ার পরে গত ২৪-১০-১৮ ইং তারিখে কয়েকটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংগঠিত মামলায় সেনাবাহিনীর হাতে আটক হয়ে বর্তমানে রাঙ্গামাটি কারাগারে রয়েছেন। যার বিরুদ্ধে ছিলো জিডি সহ মামলা, যিনি নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান আ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা ও বর্মা হত্যাকান্ডের সেকেন্ড কমান্ড। কারাগারে অবস্থানকালীন সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে কয়েকবার জামিনে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা করেও প্রশাসনের পারদর্শিতার কারণে মুক্ত হতে পারেননি সুভাষ চাকমা। চলতি মে-জুন ২০১৯ ইং মাসে যে কোন সময় কারাগার হতে জামিনে মুক্ত হতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায় যে, জেএসএস এর রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে সমতলের যে কোন এক জেলায় জেএসএস এর কাউখালী উপজেলা সভাপতি সুভাস চাকমার নামে একটি যে কোনধরনের মামলা দায়ের করে তাকে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগার হতে সমতলের জেলার কারাগারে পাঠিয়ে সুপ্রিম কোর্ট হতে জামিন নিয়ে সমতলের জেলা কারাগার হতে মুক্ত করবে বলে জানা যায়। জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের কাউখালী উপজেলার সভাপতি সুভাস চাকমা, যদি কারাগার হতে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় আগমন করে তাহলে কাউখালী উপজেলায় যে কোন ধরনের নাশকতা মূলক কর্মকান্ড সংঘটিত হতে পারে। জেএসএস সন্তু লারমার কাউখালী উপজেলার সভাপতি সুভাস চাকমা কারাগারে থাকায় তার সংগঠনের নেতাকর্মীরা চাপে আছে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কারাগার হতে জামিনে মুক্ত হলে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করবে এমনই আভাস পাওয়া যায়।

জামিনে এসে বড় ধরনের নাশকতা-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে সর্ব প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের জেএসএস সন্তু গ্রুপের সবচেয়ে বড় প্রভাবশালী নেতা সুভাষ চাকমা। যিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্ধেক চাঁদাবাজি রাঙ্গামাটি ঘাগড়া কাপ্তাই অঞ্চল থেকে করেন। ঘাগড়া বাজারে প্রতি সাপ্তাহিক বাজারে জনসমক্ষে চাঁদা আদায় করে থাকেন বাজারে পণ্য ক্রয় বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ীদের থেকে। এমনকি রাঙ্গামাটি হইতে ঘাগড়া হয়ে যাওয়া সকল যানবাহন ও গাছবোঝাই গাড়ি, ফার্ণিচার গাড়ি হইতে প্রকাশ্যে চাঁদা উত্তোলন করে। যায় নাম শুনতে ঘাগড়া, কাউখালী সহ কাপ্তাই উপজেলার জনপদের রাতের ঘুম হারাম হয় এমন শীর্ষ সন্ত্রাসী জেল হতে মুক্তি লাভ করলে উক্ত জনপদে আতঙ্ক ও হতাশা বিরাজ করবে এমনটা সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়। প্রকাশ্যে ঘাগড়া বাজার আওয়ামীলীগ অফিসে প্রবেশ করে অফিস ভাংচুর এবং বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি পায়ের নিচে দিয়ে মুড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর সন্ত্রাসী সুভাষ চাকমা। যার রয়েছে কয়েকশো কোটি টাকা-সম্পদ, এবং সন্তু লারমার বিশ্বস্ত লোক তিনি।

সুভাষ চাকমা বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলখানায় উপজাতীয় চাকমা কারারক্ষী আলোময় চাকমা মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা ও পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ রাখতেছে। কারারক্ষীদের টাকা পয়সা দিয়ে বিশেষ সুবিধা যেমনি আদায় করছেন তেমনি জেল কারাগারে ইউপিডিএফ জেএসএস নেতাদের নিয়ে সংগঠিত হচ্ছে৷ বর্তমানে জেলখানার বেশিরভাগ ইউপিডিএফ জেএসএস এর আসামীদের মধ্যে সুভাষ চাকমা মারফত গভীর নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ইউপিডিএফ এর কাউখালী ইউনিটের সশস্ত্র সন্ত্রাসী রাকেল তংচঙ্গ্যা একসময় সুভাষ চাকমাকে হত্যা করার জন্য অনেক পরিকল্পনা করে। কিন্তু এখন সেই রাকেল তংচঙ্গ্যা বর্তমানে জেলখানায় সুভাষ চাকমার সঙ্গে একই বিছানায় সহযোগী হিসেবে রয়েছে!!

মতামত

x